সুনামগঞ্জ , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ , ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সারাদেশে সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পাহাড়ি ঢলের তান্ডবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, চরম দুর্ভোগে সীমান্তবাসী একদিনেই দুই শিশুর মৃত্যু, জেলায় মৃতের সংখ্যা ৪৭ মধ্যনগরের ১৬ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এমপি কামরুলের অর্থায়নে নৌকা বিতরণ পথে যেতে যেতে: পথচারী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে সওজকে আদালতের নির্দেশ ‎আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন পাঁচ মিনিটের বক্তব্যে মুগ্ধ করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ বর্ষায় নজরুল : শিল্পকলা একাডেমিতে প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মৃত্যুর শীর্ষে সুনামগঞ্জ, ৭ মাসে প্রাণ গেল ৪৫ শিশুর মধ্যনগরে শিশু ধর্ষণের শিকার, গ্রেফতার ১ শান্তিগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ‎জামালগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু সংবাদ সম্মেলনে এমরান হোসেন রুবেলের দাবি রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মাদক মামলায় জড়ানো হয়েছে ৫ গুণীজন পেলেন জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দল জনগণকে বিভ্রান্ত করছে : মির্জা ফখরুল হেফাজতের উদ্যোগে এক হচ্ছে ৭ ইসলামি দল শান্তিগঞ্জে রুস্তম আলী হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হাওর-নদী হারাচ্ছে পানি ধারণ ক্ষমতা, বাড়ছে অকাল বন্যার শঙ্কা

শাল্লায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই প্রকল্প : হুমকির মুখে বোরো ফসল

  • আপলোড সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৭-০২-২০২৫ ১২:০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
শাল্লায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই প্রকল্প : হুমকির মুখে বোরো ফসল
স্টাফ রিপোর্টার :: শাল্লায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে উপজেলার ৬টি হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ মেরামতে ১১৫টি পিআইসি’র বিপরীতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি টাকা। অথচ কুশিয়ারা নদীর পাড় ভেঙে যাচ্ছে। ভাঙনের স্থানে কোনও প্রকল্প দেয়নি পানি উন্নয়ন বোর্ড। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, পানি বেড়ে যাওয়ার আগে যদি এখানে বিকল্প বাঁধ না দেয়া হয়, তাহলে একটি হাওরও সুরক্ষিত নয়। শুধু উপজেলার ছায়া, ভেড়াডহর, ভান্ডাবিলই নয় অরক্ষিত থাকবে কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জসহ চার জেলার বোরো ফসল। গতকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি সরেজমিনে হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পিটুয়ারকান্দি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রাম শাল্লা ও পিটুয়ারকান্দি গ্রামের মধ্যে কুশিয়ারা নদীর পাড় ভেঙে গিয়ে পূর্বের মূল বাঁধের গোড়ায় চলে এসেছে। যা উপজেলার ভেড়াডহর হাওরে অবস্থিত। বৃষ্টি ছাড়াই এমন ভয়ঙ্কর ভাঙন দেখা দেয়ায় আতঙ্কে আছেন স্থানীয়রা। পিটুয়ারকান্দি গ্রামের কৃষক মঈন উদ্দিন বলেন, চৈত্র মাসের আগে এখানে বাঁধ না দিলে হাওর রক্ষা করা যাবে না। বৃষ্টি হলেই ভাঙন আর আটকানো যাবে না। এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বাঁধ দেয়ার বিষয়ে এখনও উদাসীন পাউবো। এ বিষয়ে উপজেলা কাবিটা স্কীম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, আমি এসব নোট করে রাখছি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিবেন বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা এসও রিপন আলীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এনিয়ে সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদুল হক বলেন, কুশিয়ারায় একটি জায়গায় ভাঙছে। উপজেলা কমিটি এখনও প্রকল্পের প্রস্তাব দেয়নি। প্রস্তাব পেলেই পিআইসি দেবেন বলে জানান তিনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স